প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে তিন বাহিনী প্রধানের সাক্ষাৎ, সচিবালয়ে টানা বৈঠক
📰 প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তিন বাহিনী প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ, সচিবালয়ে টানা কর্মব্যস্ততা
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে তিন বাহিনী প্রধানের আনুষ্ঠানিক বৈঠক
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান–এর সঙ্গে দেশের তিন বাহিনীর প্রধানরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকটি ছিল নতুন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম আনুষ্ঠানিক সাক্ষাৎ।
সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত বৈঠকে পারস্পরিক শুভেচ্ছা বিনিময়ের পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। দেশের সামরিক ও প্রশাসনিক সমন্বয় জোরদারে এ বৈঠক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
সচিবালয়ে দ্বিতীয় দিনের কর্মব্যস্ততা
একই দিনে দ্বিতীয় দিনের মতো সচিবালয়ে যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সকালে তিনি সচিবালয়ে প্রবেশ করেন এবং ফ্যামিলি কার্ড সংক্রান্ত একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।
সরকারের অগ্রাধিকারমূলক কর্মসূচি দ্রুত বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমন্বয় জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হচ্ছে। নতুন সরকারের শুরুতেই টানা বৈঠক প্রশাসনিক কার্যক্রমকে গতিশীল করার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
নতুন মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক
এর আগে বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টার দিকে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের শুরুতে মন্ত্রিসভার সদস্যদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন তিনি।
পরে সরকারের চলমান কার্যক্রম, নীতিগত অগ্রাধিকার এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। দায়িত্বশীলতা, স্বচ্ছতা ও সমন্বয়ের ভিত্তিতে কাজ করার জন্য মন্ত্রিসভার সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।
সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি উপস্থিতি
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবারের মতো সচিবালয়ে নির্ধারিত দপ্তরে আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু করেন তারেক রহমান। উল্লেখ্য, গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে মন্ত্রিসভা ও সচিবদের অধিকাংশ বৈঠক প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছিল। ফলে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি উপস্থিতি প্রশাসনিক কার্যক্রমে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
শপথ ও দপ্তর বণ্টন
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা শপথ গ্রহণ করেন। পরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে দপ্তর বণ্টন করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা ইতোমধ্যে নিজ নিজ দায়িত্ব গ্রহণ করে কাজ শুরু করেছেন।
উপসংহার
নতুন সরকারের সূচনালগ্নে টানা বৈঠক ও কর্মব্যস্ততার মাধ্যমে প্রশাসনিক কার্যক্রমকে গতিশীল করার বার্তা দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। সরকারের অগ্রাধিকারমূলক প্রকল্প বাস্তবায়ন ও জনসেবামুখী উদ্যোগ দ্রুত এগিয়ে নিতে সমন্বিত প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট মহল।

কোন মন্তব্য নেই